Property Legal Solution Hub( PLSH) আমরা আপনাদের সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এসব কেইস সামনে নিয়ে আসি। যাহা আমরা অসংখ্য পেয়ে থাকি।
মিসেস রুবিনা আক্তার (ছদ্মনাম), একজন চাকরিজীবী নারী। ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি পুরাতন সাত তলা বাড়ির পঞ্চম তলার দক্ষিণ পাশের (A-5) ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপন পেয়ে তিনি যোগাযোগ করেন মালিকের সাথে।

বাড়ির লোকেশন, মূল্য, পরিবেশ—সবকিছুই তাঁর পছন্দ হয়। বিক্রেতা দাবি করেন, “বাড়িটি আমার নামে নামজারি সম্পন্ন, কোনো ঝামেলা নেই।” রুবিনা আক্তার ম্যাডাম এবং তার স্বামী মোঃ ইকবাল মাহমুদ সাহেব বুকিং মানি (০৫) পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছিলো এবং বায়না প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের কথা ছিলো বায়না তে আরো (২৫) পঁচিশ লক্ষ টাকা দেওয়ার।
রুবিনা আক্তার আমাদের Property Legal Solution Hub এর ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেখেন—
সম্পত্তি কিনবেন নাকি ঝামেলা, সম্পত্তি কেনার আগে অবশ্যয় ভালো ভাবে যাচাই বাছাই করে নিবেন দলিলপত্রের বৈধতা।
সচেতন হয়ে তিনি আমাদের এক্সপার্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করেন। আমাদের দায়িত্ব হয় দলিল যাচাই ও উত্তরাধিকার সম্পর্কিত নথিপত্র বিশ্লেষণ করা।
– যিনি ফ্ল্যাট বিক্রি করছিলেন, তিনি আসলে আসল মালিকের ছেলে ।
– তাদের এখনো ভাই- বোনের মধ্যে বন্টননামা দলিল হয় নাই।
– ভাইবোনদের কয়েকজন দেশের বাহিরে থাকেন এবং কেউ কেউ সম্পত্তি বিক্রয়ে রাজি নন।
– উনাদের অনেক দলিলপত্রের ট্রুটি আমাদের নজরবন্দি হয়।
– দলিলের বেশ চমৎকার জটিলতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়।
আমরা তাঁকে আইনি দিকগুলো পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করি এবং ভবিষ্যতে কী ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে তা তুলে ধরি। তার কষ্টার্জিত অর্থের বিনিয়োগ সম্পত্তি নয় ঝুঁকি, চিন্তা এবং ঝামেলায় হয়ে উঠছিল।
তিনি বুকিং টাকা ফেরত এবং বায়নাচুক্তি বাতিল করেন এবং বড় এক ঝামেলার হাত থেকে রক্ষা পান।
আমরা শুধু কাগজ দেখে না, আইনের চোখে দেখে।
আমরা শুধু পরামর্শ দিই না, সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করি
আমরা শুধু কাস্টমার চাই না, বিশ্বাস গড়ি।
> একটি ভুল সিদ্ধান্ত আপনাকে হাজারো জটিলতায় ফেলতে পারে।
> আর একটি সচেতনতা—আপনাকে নির্ভেজাল সম্পত্তির গর্বিত মালিক বানাতে পারে।”
